ডিপ্লোমা ইন কমার্স ১১শ শ্রেণির ব্যাংকিং ও বিমা ১ম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান ২০২১, ২০২১ সালের এইচএসসি ডিপ্লোমা ইন কমার্স ১১শ শ্রেণি ব্যাংকিং ও বিমা ১ম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান 2021

ডিপ্লোমা ইন কমার্স ১১শ শ্রেণির ব্যাংকিং ও বিমা ১ম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান ২০২১, ২০২১ সালের এইচএসসি ডিপ্লোমা ইন কমার্স ১১শ শ্রেণি ব্যাংকিং ও বি
Please wait 0 seconds...
Scroll Down and click on Go to Link for destination
Congrats! Link is Generated

অ্যাসাইনমেন্ট: ব্যাংক ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা নিয়ে একটি নিবন্ধ তৈরিকরণ।

শিখনফল: 

  • ব্যাংকের সংজ্ঞা ব্যাখ্যা করতে পারবাে।
  • ব্যাংকের কার্যাবলি বর্ণনা করতে পারবাে
  • ব্যাংকের শ্রেণিবিভাগ চিহ্নিত করতে পারবাে।
  • গ্রাহক ও ব্যাংকের মাঝে পার্থক্য নির্ণয় করতে পারবাে।

নির্দেশনা :

  • ব্যাংকের ধারণা ব্যাখ্যা করতে হবে।
  • ব্যাংকের কার্যাবলি ব্যাখ্যা করতে হবে।
  • ব্যাংকের শ্রেণিবিভাগ ছকের মাধ্যমে চিহ্নিত ও ব্যাখ্যা করতে হবে।
  • গ্রাহক ও ব্যাংকের মাঝে সম্পর্ক ছকের মাধ্যমে নির্ণয় করতে হবে।

উত্তর সমূহ:

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে যে কোন প্রশ্ন আপনার মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে লাইক পেজ : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

  • ব্যাংকের ধারণা

ব্যাংক হল এক ধরণের আর্থিক প্রতিষ্ঠান যা সাধারণ মানুষের সঞ্চয় সংগ্রহ করে পুঁজি গড়ে তোলে এবং সেই পুঁজি উদ্যোক্তাদের ধার দিয়ে বিনিয়োগে সাহায্য করে। এছাড়া আন্তর্জাতিক লেন-দেনের ক্ষেত্রে ব্যাংক দায়িত্ব পালন করে থাকে। আধুনিক পুজিঁবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ব্যাংক একটি দেশের প্রধান অর্থনৈতিক চালিকা শক্তি। দেশ-বিদেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে সচল ও কার্যকর রাখতে এর ভূমিকা অপরিসীম। ব্যক্তি কিংবা রাষ্ট্রীয় সঞ্চয়, লেন-দেন ইত্যাদির গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে থাকে এ প্রতিষ্ঠানটি। ব্যাংক ব্যক্তি কর্তৃক প্রদেয় সঞ্চিত অর্থ জমা রাখে এবং ঐ অর্থ ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানে ঋণ গ্রহণ করে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে। নির্দিষ্ট সময় বা মেয়াদান্তে গ্রাহকের জমাকৃত অর্থের উপর সুদ বা মুনাফা প্রদান করে।

Origin of Bank Word (ব্যাংক শব্দের উৎপত্তি)
ব্যাংক শব্দের উৎপত্তি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট ইতিহাস খুঁজে পাওয়া কঠিন। ইংরেজী Bank শব্দটি কবে, কোথায় এবং কিভাবে উৎপত্তি হয়েছে তা কেউই নির্দিষ্ট করে বলতে পারে না। কারন দ্বাদশ শতাব্দীর পূর্ব পর্যন্ত ব্যাংকিং ইতিহাসের কোন সঠিক ও ধারাবাহিক তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। যতটুকুই সংগ্রহ করা হয়েছে তা অনেকটা অনুমান ভিত্তিক। ব্যাংক শব্দটির আভিধানিক অর্থ কোনো বস্তুবিশেষের স্তূপ, কোষাগার, লম্বা টেবিল হিসাবেও এই শব্দের বিস্তৃতি আছে। অনেকে মনে করেন প্রাচীন ল্যাটিন ব্যাংক (Banke), ব্যাংকা (Banka), ব্যাংকাস (Bancus) ইত্যাদি শব্দের আধুনিক রুপই হলো আজকের Bank শব্দটি।

» ব্রিটিশ লেখক Bombrigge মনে করেন জার্মান শব্দ ‘Banke’ বা ইতালিয় শব্দ ‘Monte’ থেকে ব্যাংক শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে।

» ব্রিটিশ লেখক ম্যাকলিড এর মতে-
প্রাচীন ভেনিসে যুদ্ধের ব্যয় নির্বাহের জন্য এক প্রকার বিশেষ ধরনের ঋণের প্রচলন ছিল, যাকে ইতালি ভাষায় ‘Monte’ এবং জার্মান ভাষায় ‘Banke’ বলা হতো৷ ‘Banke’ শব্দটিই কালক্রমে ‘Bank’ শব্দে রূপান্তরিত হয়েছে।

  • ব্যাংকের কার্যাবলি

১) Formation of Capital (মূলধন গঠন)
সমাজের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সঞ্চয় বাণিজ্যিক ব্যাংক আমানতের মাধ্যমে সংগ্রহ করে তা বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে বিনিয়োগের জন্য ঋণ দেয়। দেশের মূলধন গঠনে সাহায্য করা এবং সঞ্চয়ে উদ্বুদ্ধ করা বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান অন্যতম উদ্দেশ্য।

২) Help in Trade and Commerce (ব্যবসা-বাণিজ্যে সহযোগিতা)
বাণিজ্যিক ব্যাংক ব্যবসা ও বাণিজ্য প্রসারিত করতে বিভিন্ন ধরনের সহায়তা করে থাকে। অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক বাণিজ্যে গ্রাহকদের লেটার অফ ক্রেডিট বা এলসি, ক্রেডিট ক্রয়, ছাড় ইত্যাদিতে সহায়তা করে থাকে।

৩) Help for Loan Control (ঋণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা)
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণনীতি ও ঋণ নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা প্রদান করা বাণিজ্যিক ব্যাংকের অন্যতম একটি কাজ।

৪) Investment in Manufacturing Sector (উৎপাদন খাতে বিনিয়োগ)
ঋণ প্রদান করা ব্যাংকের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। কারণ ঋণগ্রহীতাদের ইন দিয়ে ব্যাংক একদিকে যেমন উৎপাদনমুখী কাজে সহায়তা করে, অন্যদিকে সেই ঋণের উপর যে সুদ আদায় করে তা ব্যাংকের প্রধান উৎস হিসেবে পরিগণিত হয়ে থাকে। ফলে উৎপাদনমুখী খাতে বিনিয়োগ করার ফলে কর্মমুখী তৎপরতা দেখা দেয় এবং বেকারত্ব দূরীভূত হয়।

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে যে কোন প্রশ্ন আপনার মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে লাইক পেজ : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

৫) Receiving Deposit (আমানত গ্রহণ)
বাণিজ্যিক ব্যাংকের সর্ব প্রথম কাজ হলো বিভিন্ন প্রকারের হিসাবে জনসাধারণের কাছ থেকে আমানত সংগ্রহ করা (যেমন- চলতি, সঞ্চয়ী, মেয়াদি আমানত ইত্যাদি)। চলতি হিসাবে কোন সুদ বা মুনাফা দেয়া হয় না, সঞ্চয়ী হিসাবে সুদ বা মুনাফা চার্জ করা হয় এবং নির্দিষ্ট পরিমাণে সুদ বা মুনাফা দেওয়া হয়। সুতরাং, বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসাব খোলার মাধ্যমে গ্রাহকের নেটওয়ার্ক তৈরি করে।

৬) Providing Investment (বিনিয়োগ প্রদান)
বাণিজ্যিক ব্যাংক শেয়ার, ঋণপত্র, সরকারি সিকিউরিটি ইত্যাদি লাভজনক খাতে বিনিয়োগ প্রদান করে করে থাকে৷

৭) Bill Discounting (বিল বাট্টাকরণ)
মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পূর্বে বাণিজ্যিক ব্যাংক ব্যবসায়ীদের প্রাপ্য বিনিময় বিল বাট্টা করে অর্থ উপার্জন করে থাকে৷

৮) Creation of Loan Deposits (ঋণ ও আমানত সৃষ্টি)
ঋণ গ্রহণের সময় ঋণগ্রহীতাকে ব্যাংকের সাথে একটি হিসাব খুলতে হয়। ঋণের অর্থ সেই হিসাবে জমা বা ক্রেডিট করা হয়। এরপর ঋণগ্রহীতা যে পরিমাণ টাকা সেই হিসাব থেকে উত্তোলন করে, সেটা ঐ হিসাবে ডেবিট করা হয়। এভাবে ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে আমানতের সৃষ্টি করে থাকে।

৯) Creation of Medium of Exchange (বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি)
সেন্ট্রাল ব্যাংক নোট ইস্যু করে অন্যদিকে, বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে চেক, হুন্ডি, বিনিময় বিলের প্রচলন ইত্যাদি কাজ করে থাকে।

১০) Transfer of Money (অর্থ স্থানান্তর)
ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে গ্রাহকের নির্দেশ মোতাবেক বিভিন্ন ধরনের অর্থ দেশে-বিদেশে স্থানান্তর করে থাকে।বিভিন্নভাবে ডিমান্ড ড্রাফ্ট, টেলিগ্রাফ ট্রান্সফার ইত্যাদির মাধ্যমে হিসাবে অর্থ প্রেরণ করা হয়।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • ব্যাংকের শ্রেণিবিভাগ ছকের মাধ্যমে চিহ্নিত ও ব্যাখ্যা

বিশ্বায়নের এই যুগে জ্ঞান বিজ্ঞানের বিকাশের সাথে সাথে বিশ্বব্যাপী ব্যবসা বাণিজ্যের ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। আর ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসারের সাথে সাথে ব্যবসায়ীদের ব্যাংকিং সেবার চাহিদাও হয়েছে বহুমুখী। এই বহুমুখী চাহিদা মেটাতে ব্যাংকগুলো নিত্যনতুন সেবা দিয়ে আসছে। বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রের উপর বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যাও বাড়ছে। এ সমস্ত ব্যাংকগুলোর মালিকানা, গঠনপ্রণালী ও কাজের ধরনও আলাদা। নিচে এই তিন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ব্যাংককে তিনটি শ্রেণীতে ভাগ করে দেখানো হলো।

১. Structural Classification of Bank (কাঠামোভিত্তিক ব্যাংকের শ্রেণীবিভাগ)
ব্যাংকের কাঠামোর ভিত্তিতে ব্যাংককে নিম্নোক্তভাবে শ্রেণীবদ্ধ করা যায়:-

ক. Unit Banking (একক ব্যাংকিং)
যে ব্যাংক একটি মাত্র অফিসের মাধ্যমে ব্যাংকিং কার্য পরিচালনা করে তাকে একক ব্যাংকিং বলে। বাংলাদেশে কোন একক ব্যাংক নেই। এ ব্যাংকগুলো প্রধানত এক মালিকানা সংগঠন হিসেবে গড়ে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ ব্যাংক একক ব্যাংক।

খ. Branch Banking (শাখা ব্যাংকিং)
যে বৃহদায়তন ব্যাংক অনেকগুলো শাখার মাধ্যমে ব্যাংকিং কার্য পরিচালনা করে তাকে শাখা ব্যাংকিং বলে। বাংলাদেশের সবগুলো ব্যাংক শাখা ব্যাংক।

অন্য কথায়- যে ব্যাংকিং ব্যবস্থায় একটি প্রধান কার্যালয়ের অধীনে দেশে-বিদেশে শাখা প্রতিষ্ঠা করে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় এবং শাখা অফিসগুলো প্রধান অফিসের নির্দেশ ও নিয়ম-কানুন মেনে চলতে বাধ্য থাকে তাকে শাখা ব্যাংক বা শাখা ব্যাংকিং বলে।

গ. Chain Banking (চেইন ব্যাংকিং)
যখন একই শ্রেণীভুক্ত কতিপয় ব্যাংক বৃহদায়তন ব্যাংকিং-এর সুবিধা ভোগের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়ে নিজ নিজ সত্তা বজায় রেখে সমঝোতা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে ব্যাংকিং কার্য পরিচালনা করে, তখন তাকে চেইন ব্যাংকিং বলে। বাংলাদেশে এ ধরনের ব্যাংক নেই।

ঘ. Group Banking (গ্রুপ ব্যাংকিং)
যেকোন সমজাতীয় কতিপয় দুর্বল ব্যাংক একটি শক্তিশালী ব্যাংকের অধীনে জোটবদ্ধ হয়ে ব্যাংকিং কার্য পরিচালনা করে তখন তাকে গ্রুপ ব্যাংকিং বলে। যে ব্যাংকের অধীনে অন্যান্য ব্যাংকগুলো সংঘবদ্ধ হয়, তাকে ধারক বা হোল্ডিং কোম্পানি ব্যাংক বলে। পক্ষান্তরে জোটভুক্ত ব্যাংকগুলোকে সাবসিডিয়ারি বা অধীনস্থ ব্যাংক বলা হয়।

অন্য কথায়- যে ব্যাংক ব্যবস্থায় কোনো একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান একই ধরনের কতকগুলো ছোট ব্যাংক গঠন করে বা একাধিক ব্যাংকের অধিকাংশ শেয়ার ক্রয়ের মাধ্যমে তাদের নিয়ন্ত্রণভার গ্রহণ করে সমন্বিত ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে তাকে গ্রুপ ব্যাংক বলে।

ঙ. Merchant Bank (মার্চেন্ট ব্যাংক)
বিনিময় ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ ব্যাংকিং এর সংমিশ্রণে গড়ে ওঠা ব্যাংককেই মার্চেন্ট ব্যাংক বলে। বৈদেশিক বাণিজ্যে এসব ব্যাংক গ্রাহকদের পক্ষে প্রত্যয়পত্র ইস্যু, রপ্তানিকারক কর্তৃক উত্থাপিত বিলে স্বীকৃতি দান ও বিলের অর্থ পরিশোধ করে। মার্চেন্ট ব্যাংক দীর্ঘমেয়াদে ঋণ দেয়, যৌথ উদ্যোগে অর্থ বিনিয়োগ করে এবং অবলেখকের দায়িত্ব পালন করে থাকে।

চ. Mixed Banking (মিশ্র ব্যাংকিং)
জনগণের কাছ থেকে বিভিন্ন হিসাবের মাধ্যমে আমানত সংগ্রহের মাধ্যমে আমানত ব্যাংকিং এবং শিল্প প্রতিষ্ঠান সমূহে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের মাধ্যমে বিনিয়োগ ব্যাংকিং এর সমন্বয়ে যে নতুন ব্যাংকিং ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে তাকেই মিশ্র ব্যাংক বলে।

২. Functional Classification of Bank (কার্যভিত্তিক ব্যাংকের কার্যভিত্তিক শ্রেণীবিভাগ)
ব্যাংকের কার্যাবলির ভিত্তিতে ব্যাংককে নিম্নোক্তভাবে শ্রেণীবদ্ধ করা যায়:-

ক. Central Bank (কেন্দ্রীয় ব্যাংক)
কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের সব ব্যাংকের মুরব্বি পরিচালক নিয়ন্ত্রক৷ গোটা ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রাণকেন্দ্র৷ মুদ্রা বাজারকে সুসংগঠিত আকারে পরিচালিত করার উদ্দেশ্যেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক গঠিত হয়েছে৷ সাধারণত মুদ্রা প্রচলন, অর্থ সরবরাহ, তথা ঋণ নিয়ন্ত্রণের বিশেষ ক্ষমতা ও দায়িত্বে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিয়োজিত৷ যেমন- বাংলাদেশ ব্যাংক, ফেডারেল রিজার্ভ সিস্টেম।

খ. Commercial Bank (বাণিজ্যিক ব্যাংক)
সাধারণভাবে ব্যাংকিং বলতে বাণিজ্যিক ব্যাংকিংকে বুঝানো হয়। বাণিজ্যিক ব্যাংক একটি মুনাফাকেন্দ্রিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান। যে আর্থিক প্রতিষ্ঠান মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে স্বল্পমেয়াদী ঋণ নিয়ে কারবার করে, সেই আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বাণিজ্যিক ব্যাংক বলে। বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলিই বাণিজ্যিক ব্যাংকিং। বাণিজ্যিক ব্যাংক ব্যাংকি কোম্পানি আইন অনুযায়ী গঠন করা হয়ে থাকে। যেমন- সোনালী ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক।

গ. Agricultural Bank (কৃষি ব্যাংক)
কৃষি ক্ষেত্রে উন্নয়নের লক্ষ্যে কৃষকগণকে বিভিন্ন মেয়াদের ঋণ প্রদানসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে যে ব্যাংক কাজ করে তাকে কৃষি ব্যাংক বলে৷ এটি একটি বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠান৷ যেমন- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক৷

ঘ. Industrial Bank (শিল্প ব্যাংক)
দেশের শিল্প খাত উন্নয়নের জন্যে যে ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় তাকে শিল্প ব্যাংক বলে৷ যন্ত্রপাতি সংগ্রহ, ভূমি ক্রয়, কারখানা নির্মাণ ইত্যাদির জন্য শিল্প ব্যাংক ঋণ প্রদান করে থাকে। বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক শিল্প ব্যাংক নামে পরিচিত।

ঙ. Exchange Bank (বিনিময় ব্যাংক)
বৈদেশিক লেনদেন নিষ্পত্তি ও বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময়ের জন্য যে ব্যাংক গঠিত হয় তাকে বিনিময় ব্যাংক বলে৷ বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় রপ্তানি ইত্যাদি এ সকল ব্যাংকের কাজ৷

চ. Investment Bank (বিনিয়োগ ব্যাংক)
বিনিয়োগ ব্যাংক নবগঠিত শিল্প-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণ প্রদান ব্রিজ ফাইন্যান্স ডিফেন্স ফাইন্যান্স সহ বিভিন্ন পরামর্শমূলক কার্যাদি সম্পাদন করে থাকে৷

ছ. Savings Bank (সঞ্চয়ী ব্যাংক)
জনগণের অর্থ সঞ্চয় হিসেবে গ্রহণ ও মুনাফা বা সুদ প্রদানের মাধ্যমে জনগণকে অধিক সঞ্চয়ে উৎসাহিত করে যে ব্যাংক গঠিত হয় তাকে সঞ্চয়ী ব্যাংক বলে৷

জ. Mortgage Bank (বন্ধকি ব্যাংক)
ভূমি বা জমি বন্ধক রেখে কৃষি ও শিল্পের প্রয়োজনে দীর্ঘমেয়াদে যে ব্যাংক ঋণ প্রদান করে থাকে তাকে বন্ধকী ব্যাংক বলে৷

ঝ. Transport Bank (পরিবহন ব্যাংক)
পরিবহন শিল্পের উন্নয়নের লক্ষ্যে যে বিশেষায়িত ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় তাকে পরিবহন ব্যাংক বলে৷ এই সকল ব্যাংক যানবাহন নির্মাণ, যন্ত্রাংশ আমদানি ইত্যাদির জন্য ঋণ সরবরাহ করে থাকে৷

ঞ. Small and Cottage Industry Bank (ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প ব্যাংক)
ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করে শিল্পায়ন উন্নত করার জন্য ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে অর্থায়ন করার জন্য যে ব্যাংক গড়ে ওঠে তাকে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প ব্যাংক বলে৷

ট. Import-Export Bank (আমদানি-রপ্তানি ব্যাংক)
আমদানী-রপ্তানী বানিজ্যে সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে যে ব্যাংক গঠিত হয় তাকে আমদানি-রপ্তানি ব্যাংক বলা হয়৷ আমদানির জন্য ঋণ সরবরাহ, এলসি সুবিধা ইত্যাদি উদ্দেশ্যে এ ব্যাংক কাজ করে থাকে৷

৩. Organizational Classification of Bank (ব্যাংকের সংগঠনভিত্তিক শ্রেণীবিভাগ)
ব্যাংকের সংগঠন এর ভিত্তিতে ব্যাংককে নিম্নোক্তভাবে শ্রেণীবদ্ধ করা যায়:-

ক. Single Ownership Bank (একক মালিকানা ব্যাংক)
একক উদ্যোগে ও পুঁজিতে এবং একক ব্যক্তি বা এক মালিকানা দ্বারা পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত ব্যাংককে একক মালিকানা ব্যাংক বলে৷

খ. Partnership Bank (অংশীদারি ব্যাংক)
অংশীদারি আইনের ভিত্তিতে যে ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে অংশীদারি ব্যাংক বলে৷ ১৯৩২ সালের অংশীদারি আইন দ্বারা প্রণীত, সদস্য ১-১০ জনের মধ্যে থাকতে হয়।

গ. Joint Ownership Bank (যৌথ মালিকানা ব্যাংক)
কোম্পানি আইনের আওতায় যে ব্যাংকের মূলধন গঠিত হয় এবং পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে যৌথ মালিকানা ভিত্তিক ব্যাংক বলে৷ ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইন এবং ১৯৯১ সালের ব্যাংকিং আইন দ্বারা এই সকল ব্যাংক গঠিত। যেমন- বাংলাদেশের সকল বাণিজ্যিক ব্যাংক।

ঘ. Specialized Bank (বিশেষায়িত ব্যাংক)
যে ব্যাংক গ্রাহকদের প্রয়োজন ও অর্থনীতির বিশেষ কোনো দিক নিয়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাকে বিশেষায়িত বাংক বলে। যেমন বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।

ঙ. Cooperative Bank (সমবায় ব্যাংক)
সমবায়ের নীতি ও আইন অনুযায়ী যে ব্যাংক গঠিত ও পরিচালিত হয় তাকে সমবায় ব্যাংক বলে৷ সমবায় আইন দ্বারা গঠিত। যেমন- রাজশাহী কো-অপারেটিভ ব্যাংক।

চ. State Bank (রাষ্ট্রীয় ব্যাংক)
পুরোপুরিভাবে সরকারি মালিকানা ও পরিচালনার জন্য যে সকল ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় তাকে রাষ্ট্রীয় বা সরকারি ব্যাংক বলে৷ অর্থাৎ যে ব্যাংকের মালিক রাষ্ট্র। যেমন- সোনালী ব্যাংক।

৪. Ownership Based Classification of Bank (ব্যাংকের মালিকানাভিত্তিক শ্রেণীবিভাগ)
ব্যাংকের মালিকানার ভিত্তিতে ব্যাংককে নিম্নোক্তভাবে শ্রেণীবদ্ধ করা যায়:-

ক. Government Bank (সরকারি ব্যাংক)
সরকারি উদ্যোগে গঠিত ও সরকারি অর্থে পুঁজি সংগৃহীত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত ব্যাংককে সরকারি ব্যাংক বলে৷ অর্থাৎ যে সকল ব্যাংকের সংগঠন, নিয়ন্ত্রক ও মালিক সরকার। যেমন- সোনালী ব্যাংক৷

খ. Private Bank (বেসরকারি ব্যাংক)
ব্যক্তি মালিকানায়, যৌথ মালিকানায় বেসরকারি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত ব্যাংককে বেসরকারি ব্যাংক বলে৷ যেমন- পূবালী ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক৷

গ. NGO Bank (এনজিও ব্যাংক)
গ্রামীণ ব্যাংক এ ধরনের একটি ব্যাংক৷ গতানুগতিক ব্যাংক জামানত ব্যতীত ঋণ দিতে পারত না বলে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের দরিদ্র জনগণ ব্যাংক সেবা বা ঋণ পেতে পারত না। গ্রামীণ ব্যাংক তাদেরকে জামানতবিহীন ঋণ সৃষ্টি করে থাকে৷

ঘ. Autonomous Bank (স্বায়ত্বশাসিত ব্যাংক)
যে ব্যাংক সরকারের বিশেষ আইন বলে ও সংবিধানের বিশেষ অধ্যাদেশের মাধ্যমে গঠিত হয় এবং যা স্ব-নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় স্বাধীনভাবে পরিচালিত হয় তাকে স্বায়ত্তশাসিত ব্যাংক বলে। যেমন- কৃষি ব্যাংক, শিল্প ব্যাংক।

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে যে কোন প্রশ্ন আপনার মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে লাইক পেজ : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

ঙ. Partial Bank (আংশিক ব্যাংক)
আংশিক তহবিল ব্যাংক এমন এক ধরনের ব্যাংক যাতে ব্যাংকসমূহ তাদের ডিপোজিটের অংশবিশেষ তহবিলে বা রিজার্ভে রাখে এবং বাকীটুকু ধার দিয়ে দেয়। তবে চাহিদার সময় ব্যাংককে সমস্ত ডিপোজিট ফেরত দিতে হয়। এই পদ্ধতিটি সারা বিশ্বজুড়ে প্রচলিত এবং এটিই প্রামাণ্য ব্যাংকিং ব্যবস্থা হিসেবে স্বীকৃত।

চ. Foreign Owned Bank (বিদেশি মালিকানাধীন ব্যাংক)
যখন কোন ব্যাংক এক দেশে নিবন্ধিত কিন্তু অন্য দেশে এসে ব্যবসা পরিচালনা করে থাকে তখন তাকে বিদেশী ব্যাংক বলে৷ অর্থাৎ বিদেশি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত ব্যাংককে বিদেশী ব্যাংক বলা হয়৷ যেমন- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক৷

ছ. Government-Private Joint Venture Bank (সরকারি-বেসরকারি যৌথ মালিকানার ব্যাংক)
সরকারি ও বেসরকারি উভয় মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত যে ব্যাংক তাকে যৌথ মালিকানার ব্যাংক বলে৷ অর্থাৎ যে সকল ব্যাংকের ৫১% বা তার অধিক শেয়ার সরকারের, ৪৯% বা তার কম শেয়ার বেসরকারি। যেমন- বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেড।

৫. Region Based Classification of Bank (ব্যাংকের অঞ্চলভিত্তিক শ্রেণীবিভাগ)
ব্যাংকের অঞ্চল ভিত্তিতে ব্যাংককে নিম্নোক্তভাবে শ্রেণীবদ্ধ করা যায়:-

ক. Regional Bank (আঞ্চলিক ব্যাংক)
কোন একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল বিশেষ এর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যখন কোন ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হয় তখন তাকে আঞ্চলিক বা রিজিওনাল ব্যাংক বলে৷ যেমন- ADB (Asian Development Bank), রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক৷

খ. National Bank (জাতীয় ব্যাংক)
কোন একটি দেশের মধ্য থেকে ব্যাংকিং ব্যবসা পরিচালনা করলে তাকে জাতীয় বা ন্যাশনাল ব্যাংক বলে৷ যেমন- অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড৷

গ. International Bank (আন্তর্জাতিক ব্যাংক)
একটি দেশের জাতীয় সীমানার গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাংকিং ব্যবসা পরিচালনা করার উদ্দেশ্যে যে ব্যাংকের শাখা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিস্তৃত তাকে আন্তর্জাতিক বা ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংক বলে৷ যেমন- WB (World Bank), IMF (International Monetary Fund)।

৬. Registration Based Classification of Bank (ব্যাংকের নিবন্ধনভিত্তিক শ্রেণীবিভাগ)
ব্যাংকের নিবন্ধন এর ভিত্তিতে ব্যাংককে নিম্নোক্তভাবে শ্রেণীবদ্ধ করা যায়:-

ক. Domestic Bank (দেশি ব্যাংক)
দেশের ব্যাংকিং আইনের আওতায় যে সকল ব্যাংক প্রতিষ্ঠা ও পরিচালিত হয় তাকে দেশি ব্যাংক বলে৷ যেমন- অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড৷

খ. Foreign Bank (বিদেশি ব্যাংক)
যখন কোন ব্যাংক এক দেশে নিবন্ধিত কিন্তু অন্য দেশে এসে ব্যবসা পরিচালনা করে থাকে তখন তাকে বিদেশী ব্যাংক বলে৷ অর্থাৎ বিদেশি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত ব্যাংককে বিদেশী ব্যাংক বলা হয়৷ যেমন- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক৷

৭. Special Client Based Based Classification of Bank (ব্যাংকের বিশেষ মক্কেলভিত্তিক শ্রেণীবিভাগ)
ব্যাংকের বিশেষ মক্কেল বা গ্রাহক এর ভিত্তিতে ব্যাংককে নিম্নোক্তভাবে শ্রেণীবদ্ধ করা যায়:-

ক. Labor Bank (শ্রমিক ব্যাংক)
শ্রমিকদের মধ্যে সঞ্চয়ের মানসিকতা সৃষ্টি করে তাদের জীবন ধারণের মানোন্নয়নের লক্ষ্যে যে সকল ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় তাকে শ্রমিক ব্যাংক বলে৷ তবে বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ভাবে কোন শ্রমিক ব্যাংক নেই৷

খ. Women Bank (মহিলা ব্যাংক)
মহিলাদের মধ্যে সঞ্চয়ের মন মানসিকতা তৈরি করার জন্য ও তাদেরকে ব্যাংকিং কার্যক্রমের সাথে পরিচিত করা এবং বিশেষভাবে ব্যাংকিং সুবিধা প্রদান করার জন্য যে সকল ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় তাদেরকে মহিলা ব্যাংক বলে৷ তবে বাংলাদেশে কোন মহিলা ব্যাংক নেই৷

গ. School Bank (স্কুল ব্যাংক)
স্কুলের শিক্ষার্থীদের সঞ্চয় এর মন মানসিকতা তৈরী ও শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদানের জন্য যে সকল ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়ে থাকে তাদেরকে স্কুল ব্যাংক বলে৷ বাংলাদেশের স্বতন্ত্র কোন স্কুল ব্যাংক নেই তবে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকগুলো ছাত্রদের বিভিন্ন ধরনের ব্যাংকিং সেবা দিয়ে থাকে৷

ঘ. Consumer Bank (ভোক্তা ব্যাংক)
ভোক্তাদের বাকিতে পণ্য ক্রয়ের সুবিধা প্রদানের জন্য এ সকল ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হয়৷ ব্যাংক তার গ্রাহককে একটি কার্ড সরবরাহ করে যার নাম ক্রেডিট কার্ড এবং এর দ্বারা ভোক্তা বাকিতে বাজার থেকে পণ্য ক্রয় করতে পারে৷

৮. Control Based Classification of Bank (ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণভিত্তিক শ্রেণীবিভাগ)
ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ভিত্তিতে ব্যাংককে নিম্নোক্তভাবে শ্রেণীবদ্ধ করা যায়:-

ক. Full State Controlled Bank (পূর্ণ রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রিত ব্যাংক)
যে সকল ব্যাংকের কার্যক্রম পুরোপুরি সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত হয় তাকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রিত ব্যাংক বলে৷

খ. Partially Controlled Bank (আংশিক নিয়ন্ত্রিত ব্যাংক)
যে সকল ব্যাংকের কার্যক্রম আংশিকভাবে সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত এবং আংশিক ব্যাংকের নিজস্ব নীতির অধীনে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত হয় তাকে আংশিক নিয়ন্ত্রিত ব্যাংক বলে৷

গ. Market Controlled Bank (বাজার নিয়ন্ত্রিত ব্যাংক)
এ ধরনের ব্যাংক এর উপর সরকার বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণ নেই৷ বাজার অর্থনীতিতে সাধারণত এ ধরণের ব্যাংক গড়ে ওঠে৷

৯. Religious Perspective Based Classification of Bank (ব্যাংকের ধর্মীয় দৃষ্টিকোণভিত্তিক শ্রেণীবিভাগ)
ব্যাংকের ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাংককে নিম্নোক্তভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়:-

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • গ্রাহক ও ব্যাংকের মাঝে সম্পর্ক ছকের মাধ্যমে নির্ণয়

ব্যাংকিং ব্যবসায় লিপ্ত ব্যক্তি, কর্পোরেশন অথবা কোম্পানিকে ব্যাংকার বলা হয়। তেমনি গ্রাহক বলতে ঐ ব্যক্তিকেই বুঝায়, যিনি ব্যাংকের যে কোন ধরনের হিসাব অথবা অন্যান্য সেবার মাধ্যমে ওই ব্যাংকের সাথে যুক্ত। ব্যাংক ব্যবসায়ে গ্রাহককে প্রদত্ত সেবা ও কার্যাবলীকে ভিত্তি করে ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্ক নিম্নলিখিত দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করা যায়-

১) Debtor-creditor relation (ডেটর-ক্রেডিটর সম্পর্ক)
ব্যাংক ও তার গ্রাহকের মধ্যে ডেটর-ক্রেডিটর সম্পর্ক বিদ্যমান। গ্রাহক যখন ব্যাংকের কাছে টাকা জমা দেয়, তখন ব্যাংক ডেটর এবং গ্রাহক ক্রেডিটর হয়। আবার তাদের মধ্যে বিপরীত সম্পর্ক বিরাজ করে, যখন ব্যাংকের কাছ থেকে গ্রাহক ঋণ নেয়, তখন গ্রাহক ডেটর আর ব্যাংক ক্রেডির।

২) Contractual relationship (চুক্তিবদ্ধ সম্পর্ক)
হিসাব খোলার মধ্য দিয়ে আইনগতভাবে ব্যাংক ও গ্রাহকের মধ্যে একটি চুক্তিবদ্ধ সম্পর্কের সৃষ্টি হয়। এতে করে দুই পক্ষেরই কিছু অধিকার ও দায়িত্ব সৃষ্টি হয়। আর এই চুক্তির কারণে ব্যাংক তার আমানতকারীর জমাকৃত টাকা চাহিবামাত্র ফেরত দিতে বাধ্য।

৩) Bank customer’s trusty (ব্যাংক গ্রাহকের অছি)
ব্যাংক অনেক সময় তাদের গ্রাহকের সম্পত্তি যথা- স্বর্ণালঙ্কার, দলিলপত্র ইত্যাদি সংরক্ষণের মাধ্যমে তাদের অছি হিসেবে কাজ করে থাকে। এটিও একটি আইনগত কিন্তু ভিন্ন ধরনের সম্পর্ক।

৪) Mortgagor-Mortgagee relationship (বন্ধক দাতা-বন্ধক গ্রহীতা সম্পর্ক)
গ্রাহকের সম্পত্তির বিপরীতে ব্যাংক বিভিন্ন প্রকার বন্ধকী ঋণ দিয়ে থাকে। এভাবে বন্ধক দাতা-বন্ধক গ্রহীতা সম্পর্কের সৃষ্টি হয়।

৫) Bank customer’s representative (ব্যাংক গ্রাহকের প্রতিনিধি)
গ্রাহকের পক্ষে দেনা পরিশোধ ও পাওনা আদায়ের মাধ্যমে ব্যাংক গ্রাহকের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে থাকে।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল  কপিরাইট: (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে যে কোন প্রশ্ন আপনার মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে লাইক পেজ : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

  • ২০২১ সালের SSC পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের ৯ম/১০ শ্রেণি ভোকেশনাল পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC (বিএম-ভোকে- ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স) ১১শ ও ১২শ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১০ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের SSC ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১১ম -১২ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের HSC ও Alim এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক

এখানে সকল প্রকাশ শিক্ষা বিষয় তথ্য ও সাজেশন পেতে আমাদের সাথে থাকুন ।

আমাদের YouTube এবং Like Page

Post a Comment

Cookie Consent
We serve cookies on this site to analyze traffic, remember your preferences, and optimize your experience.
Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
We have detected that you are using adblocking plugin in your browser.
The revenue we earn by the advertisements is used to manage this website, we request you to whitelist our website in your adblocking plugin.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.