স্কুলছাত্রী ধর্ষণের পর হত্যা জবানবন্দি দিলেন দিহানের বাসার দারোয়ান

 

স্কুলছাত্রী ধর্ষণের পর হত্যা  জবানবন্দি দিলেন দিহানের বাসার দারোয়ানরাজধানীর কলাবাগানে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ফারদিন ইফতেখার দিহানের বাসার দারোয়ান মো. দুলাল মিয়া সাক্ষী হিসেবে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কলাবাগান থানার পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) আ ফ ম আসাদুজ্জামান তাকে আদালতে হাজির করে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশীদ তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

এর আগে গত ৮ জানুয়ারি একই আদালতে দিহান দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন।

গত ৭ জানুয়ারি রাজধানীর কলাবাগানে ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের এক ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ ওঠে। ওই শিক্ষার্থীকে মুমূর্ষু অবস্থায় আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতলে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ইফতেখার ফারদিন দিহানকে (১৮) একমাত্র আসামি করে ধর্ষণ ও হত্যার মামলা করেন মেয়েটির বাবা।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৭ জানুয়ারি সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা কর্মস্থলের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হন। এর এক ঘণ্টা পর তার বাবাও ব্যবসায়িক কাজে বাসা থেকে বের হন। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ওই ছাত্রী তার মাকে ফোন করে কোচিং থেকে নোট আনার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন। আসামি দিহান দুপুর আনুমানিক ১টা ১৮ মিনিটে ওই শিক্ষার্থীর মাকে ফোন করেন। দিহান জানান, ওই মেয়ে তার বাসায় গিয়েছিলেন। হঠাৎ অচেতন হয়ে পড়ায় তাকে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়েছে।

অফিস থেকে বের হয়ে আনুমানিক দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা হাসপাতালে পৌঁছান। হাসপাতালের কর্মচারীদের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, আসামি নিজ বাসায় ডেকে নিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে অচেতন হয়ে পড়লে বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য আসামি নিজেই তাকে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে নিয়ে যান। খবর পেয়ে কলাবাগান থানা পুলিশের একটি দল হাসপাতালে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

Post a Comment

Previous Post Next Post